MOnirul Islam

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, 1 March 2015

নারীদের কনডম ব্যবহারে যে ধরনের সুবিধা পাওয়া যায় (কনডম ব্যবহারের ভিডিওসহ)

নারীদের কনডম ব্যবহারে যে ধরনের সুবিধা পাওয়া যায় (কনডম ব্যবহারের ভিডিওসহ)
বাংলাদেশপ্রেস ডেস্ক || মহিলাদের কনডম প্রধানত যৌনসঙ্গমকালে নারীসংগী দ্বারা ব্যবহৃত এক প্রকার জন্মনিরোধক বস্তু। এটি মূলত গর্ভাধারন ও গনোরিয়া, সিফিলিজ ও এইচআইভি-এর মতো যৌনরোগের প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ল্যাস্সি হেসেল এটি আবিস্কার করেন। যৌনসঙ্গমকালে এটি নারীসংগীর যৌনাংগে পরিধান করা হয় এবং এসময় এটি পুরুষের বীর্যকে স্ত্রীযোনিতে প্রবেশে বাধা দেয় ফলে পুরুষের বীর্যের শুক্রাণুসমূহ নারীর ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করতে পারে না। এছাড়া এটি পায়ুসঙ্গমকালে গ্রাহক সংগী দ্বারা পরিধান হতে পারে। মহিলাদের এই কনডম পাতলা, ঢিলা, নমনীয় আবরন এবং এর দুই প্রান্তে দুটি রিং বিদ্যমান।

সূবিধাসমূহ

মহিলাদের কনডম ব্যবহারের মাধ্যমে নারীরা তাদের যৌনসাস্থ্যকে নিজ নিজ পছন্দের ও ইচ্ছানুযায়ি নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারেন।এই কনডম ব্যবহারের মাধ্যমে নারী সংগীটি নিজেকে গর্ভধারন থেকে রক্ষা করতে পারে, যখন পুরুষ সংগীটি পুরুষের কনডম ব্যবহারে অনিচ্ছুক থাকে। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে নারী সংগীর এই ধরনের কনডমের ব্যবহার পুরুষ সংগীকে সাধারন কনডমের তুলনায় অধিক পুলকিত করতে সক্ষম হয়। এটি আলার্জি নিরোধী এবং যাদের রাবার ল্যাটেক্স ব্যবহারে সংক্রমনের সম্ভাবনা রয়েছে তাদের জন্য উপযোগী। এই কনডম সংগমের বহু সময় পূর্বেই পরিধান করা যায়। পুরুষদের কনডমের ন্যায় এটি পুরুষাংগের উত্থানের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না বা বীর্যস্থলনের সাথে সাথে বের করে নেয়ার প্রয়োজন পড়ে না।এটি আঁটসাঁট নয় এবং শরীরের তাপমাত্রার সাথে সাথে এর উপাদানের তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয়। এছাড়া এটি সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায় এমন যৌনরোগ থেকে সুরক্ষা দেয় বলে অনেক গবেষনায় দেখা গেছে।

বিশ্বব্যাপী ব্যবহার

উন্নত দেশসমূহে এই কনডমের বিক্রি আশানুরুপ না হলেও উন্নয়্নশীল দেশসমূহে জন্মনিয়ন্ত্রন প্রকল্প এবং এইডস প্রতিরোধ প্রকল্পের আওতায় এটির ব্যবহার ক্রমবর্ধমান। এই কনডম পরিধানের ক্ষেথে বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন হয় এবং পুরুষের কনডমের তুলনায় এর ২-৩ গুণ বেশি মূল্যকে এর বিক্রি হ্রাসের কারন হিসেবে মনে করা হয়।অনেক ব্যবহারকারী উল্লেখ করেছেন যে এই কনডম পরে সংগমকালে বাজে শব্দের সৃষ্টি হয় এবং এসময় কনডমের একটি রিং যোনীর বাইরে বের হওয়া অবস্থায় থাকে। এসব পরিস্থিতির কারনে অনেকে এই কনডম ব্যবহার ত্যাগ করেছেন বলে অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন।

নারীদের কনডম ব্যবহারের নিয়মাবলী

Friday, 27 February 2015

জেনে নিন, বিয়ের প্রথম রাতে প্রত্যেক পুরুষই ৭টি আশা !

বিয়ের প্রথম রাত, অর্থাৎ ফুলশয্যার রাত হচ্ছে যে কোন দম্পতির জীবনের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ রাত। বলাই বাহুল্য যে এই রাত নিয়ে উভয়েরই অনেক স্বপ্ন, অনেক চাওয়া-পাওয়া থাকে। নারী না হয় একবুক আশা নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে গেলেন স্বামীর জীবনে, কিন্তু স্বামী কী আশা করেন? চলুন, জেনে নিন এমন ৭টি বিষয় যা ফুলশয্যার রাতে প্রত্যেক পুরুষই আশাকরেন নিজের স্ত্রী তরফ থেকে!
১) স্ত্রীকে দেখা যাবে অপ্সরার মতন  জীবনে খুব বেশি মানুষ বারবার বিয়ে করেন না, বিশেষ রাতটি বারবার ফিরে আসে না জীবনে। এবং প্রত্যেক পুরুষই স্ত্রীকে সেদিন নিজের স্বপ্ন কন্যা রূপে দেখতে চান। আশা করে থাকেন যে স্ত্রীকে দেখাবে পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দর রমনীর মত।
২) স্ত্রীর জীবনে তিনিই প্রথম পুরুষ অধিকাংশ পুরুষ আজও আশা করেন যে স্ত্রী ভার্জিন হবে। অর্থাৎ তিনিই হবেন প্রথম পুরুষ যার সাথে স্ত্রী প্রথম শারীরিক সম্পর্ক করেছে।
৩) একটু লজ্জা, একটু ছলকলা লজ্জা নারীর ভূষণ, এই কথাটি ফুলশয্যার রাতেই যেন সবচাইতে বড় সত্য। বিয়ে প্রেমের হোক বা পারিবারিক, প্রত্যেক পুরুষই এই বিশেষ রাতে আশা করে থাকেন যে স্ত্রী একটু লজ্জা পাবেন। একটু প্রেমের ছলকলা খেলবেন, আর তবেই ধরা দেবেন প্রেমের বন্ধনে।
৪) সমৃদ্ধ জীবনের আশ্বাস দুজনে একত্রে নতুন জীবন শুরু করতে চলেছেন, বিয়ের এই প্রথম রাতটি তাই ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। পরস্পরকে আশ্বাস ও প্রতিজ্ঞা করার জন্য আদর্শ সময়। স্বামীও আশা করেন যে স্ত্রী তাঁকে একটু সুখের সংসারের আশ্বাস দেবেন।

৫) নিজের প্রশংসা নিজের প্রশংসা শুনতে কে না ভালোবাসে? আর পুরুষেরা তো স্ত্রীর মুখে নিজের প্রশংসা শুনতে সবচাইতে বেশি পছন্দ করেন। বিয়ের প্রথম রাতেই এই প্রত্যাশা থাকে সবচাইতে বেশি।
৬) শ্বশুর বাড়ির প্রাপ্তি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ
বিয়েতে কী হলো, কী হলো না, কী পেলেন, কী পেলেন না ইত্যাদি নিয়ে হতাশা বা ক্ষোভ ব্যক্ত না করে যা পেয়েছেন সেটা নিয়েই সন্তুষ্টি প্রকাশ করুন। দেখবেন স্বামীর চোখে আপনার সম্মান হয়ে উঠেছে আকাশচুম্বী।
৭) নিজের ভার স্বামীর হাতে ছেড়ে দেয়া
এটা সেই বিশেষ রাত, যে রাতে স্ত্রী নিজেকে অর্পণ করেন স্বামীর জীবনে। নিজের দায়িত্ব ছেড়ে দেন স্বামীর হাতে। আর আপনি যতই স্বাধীনচেতা নারী হয়ে থাকুন না কেন, আপনার স্বামী কিন্তু সারা জীবনই চাইবেন যে আপনি তাঁকে বিশ্বাস ও ভরসা করুন। আর এই কাজটি বিয়ের রাতে করলে খুশি হয়ে ওঠেন সকল পুরুষই


জেনে নিন , প্রেমিক বা প্রেমিকার ব্রেকআপ হওয়ার কারণ !

একজন সঠিক মানুষের সাথে সম্পর্ক হলে জীবনে সুখ ধরে রাখা যায়। হয়তো মানুষটি পারফেক্ট নন, কিন্তু তার কিছু জিনিসে পারফেক্ট না হওয়াটাই আপনার জন্য তাকে একবারে সঠিক মানুষ বানিয়ে দেয়। এমন মানুষের সাথে হাসিখুশি ভাবে থেকে পুরো জীবন কাটিয়ে দেয়া সম্ভব হয়। কিন্তু যখন একজন ভুল মানুষের সাথে সম্পর্ক হয় তখন সেই সম্পর্কটি কষ্ট করে টেনে চলার চাইতে সম্পর্ক থেকেই দূরে সরে যাওয়া দুজনের জন্যই ভালো। কিন্তু কীভাবে বুঝবেন সঙ্গীর সাথে আপনার সম্পর্কটির ভবিষ্যৎ একেবারেই সুখকর নয়। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক কোন সম্পর্ক থেকে সরে আসাই ভালো হবে আপনার জন্য।
১) আপনাদের মধ্যে বয়সের পার্থক্য অনেক বেশি

অনেকের মতে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নারী পুরুষের বয়সের পার্থক্য হওয়া ভালো। কিন্তু যখনই এই বয়সের পার্থক্য একটু বেশি হয়ে যায় তখন জেনারেশন গ্যাপের বিষয়টি চলে আসে। কথায় বা তর্কে হুট করে বলে ফেলেন, ‘আমার বয়স বেশি, আমি জীবন তোমার থেকে বেশি দেখেছি, আমি বেশি জানি, আমি যা বলবো তাই মেনে নিতে হবে’ ইত্যাদি ধরণের কথা। যা সম্পর্কের জন্য একেবারেই ভালো নয়। তাই সম্পর্কের ক্ষেত্রে বয়সের পার্থক্য বেশি হওয়া সম্পর্কের জন্য ভালো নয় একেবারেই। এই বিষয়টির প্রতি নজর দেয়া উচিত। যদি অতিরিক্ত সমস্যা মনে হয় তাহলে এই সম্পর্কে না এগুনোই ভালো।
২) আপনি অথবা সে সম্পর্কে ধোঁকা দিচ্ছেন
সম্পর্কে যেই ধোঁকা দিয়ে থাকুন না কেন সেই সম্পর্কটি সুস্থ ও স্বাভাবিক নয়। যদি মনে করে থাকেন সময়ের সাথে সাথে এই ব্যাপারটির সমাধান করতে পারবেন তাহলে ভুল করছেন। যদি আপনি ধোঁকা দিয়ে থাকেন বা তিনি ধোঁকা দেন তাহলে সম্পর্ক থেকে সরে আসাই শ্রেয়।
৩) আপনি নিজেকে হারিয়ে ফেলছেন
প্রথম প্রথম সম্পর্কে একে অপরের সাথে অনেকটা সময় ব্যয় করা হয় বিষয়টি সত্যি। কিন্তু সম্পর্ক শুরুর পর থেকে নিজের বন্ধুবান্ধব থেকে দূরে সরে আসা, কিংবা অনেক কিছু বাদ দিয়ে একসাথে সময় কাটানোর বিষয়টি পরবর্তীতে মেনে নেয়া কষ্টকর। এখানে আপনার জীবনের কিছু অংশ হারিয়ে আপনার সম্পর্ক এগিয়ে নিতে যেতে হচ্ছে। সুতরাং এই ধরণের সম্পর্ক দুজনের জন্যই ক্ষতিকর। যদি বিষয়গুলো কথা বলে ঠিক করে নিতে পারেন তাহলে দ্বিতীয়বার চেষ্টা করতে পারেন নতুবা নয়।
৪) কিছু বললেই তিনি অতিরিক্ত রিঅ্যাক্ট করেন
কথা বলে অনেক সমস্যা সমাধান করে ফেলা সম্ভব। কিন্তু তার সাথে কোনো ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করলেই যদি তিনি অতিরিক্ত রিঅ্যাক্ট করে বসেন তাহলে তার সাথে কোনো ব্যাপার নিয়ে কথা বলাই সম্ভব হয়ে উঠে না। কিন্তু সম্পর্কে থাকলে কথা বলে সমস্যা সমাধান করাটাই স্বাভাবিক। এমন অবস্থায় আপনাদের সম্পর্ক নিয়ে দ্বিতীয়বার চিন্তা করুন।
৫) আপনার নিজের মতো করে সময় পান না
সম্পর্কে থাকেই যে সারাটি সময় দুজনকে একসাথে থাকতে হবে এমন কোনো কথা নেই। দুজনেরই নিজস্ব জীবন রয়েছে, নিজস্ব কিছু কাজ রয়েছে এবং বাদবাকি সম্পর্ক রয়েছে। আপনি সম্পর্কে থাকলে যদি নিজের জন্য সময় একেবারেই না পান তাহলে সম্পর্কটি একটি পর্যায়ে বোঝার মতো মনে হতে থাকবে। সুতরাং এখনই এই সমস্যার সমাধান করে ফেলুন তা না হলে সুখী থাকতে পারবেন না।
৬) আপনি তাকে নিয়ে দ্বিধায় ভোগেন
আপনি কি আপনার প্রিয় মানুষটিকে আপনার পরিবার বা বন্ধুবান্ধবের সাথে পরিচয় করাতে দ্বিধা বোধ করেন? কিংবা আপনার অনেক ব্যাপারই তাকে জানাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না? তাহলে আপনি তাকে নিয়ে অনেক দ্বিধায় রয়েছেন। এই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নেই। এই সম্পর্ক ছেড়ে সরে আসাই দুজনের জন্য মঙ্গলজনক।
৭) আপনার সঙ্গী সব সময় সকলের আকর্ষণ ধরে রাখতে চান
যদি আপনার প্রিয় মানুষটি আপনার মনোযোগ পাওয়ার জন্য নিজেকে তৈরি করেন তাহলে তা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু যদি তিনি শুধু আপনারই নয় সকলের আকর্ষণ নিজের দিকে ধরে রাখতে চান তাহলে আপনাদের সম্পর্কটি স্বাভাবিক নয়। এই ধরণের মানুষজন মানসিক ভাবে কিছুটা অসুস্থ থাকেন। তাই এই সম্পর্ক থেকে দূরে সরে আসুন আপনি নিজেই।
৮) সঙ্গী আপনাকে অতিরিক্ত সন্দেহ করেন
ভালোবাসায় কিছুটা ঈর্ষা থাকবেই, কারণ যখন আপনি কারো সাথে একটু হেসে কথা বলবেন তখন তিনি একটু না একটু ঈর্ষান্বিত হবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ঈর্ষা অতিরিক্ত হয়ে গেলে এবং ঈর্ষা সন্দেহে রূপান্তরিত হলে সমস্যার শুরু হয়। যিনি সব সময় আপনাকে সন্দেহ করেন তার সাথে সময় কাটানো বিশেষ করে জীবন কাটানো অনেক কষ্টকর।


নববধূরূপী এক নারীর ব্যক্তিগত অপ্রকাশিত কষ্ট গুলো !

বিয়ের মাধ্যমে একজন নারীর জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। নারীদের একদম নতুন কিছু মানুষ ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়। যা তাদের জীবনে হাজারও সুখের অনুভূতি নিয়ে আসে, সেই সঙ্গে জন্ম দেয় কিছু চাপা ক্ষোভ বা দু:খবোধের। এই অনুভূতি সাধারণত বিয়ের পর বেশিরভাগ মেয়েই অনুভব করেন। এর কারণ কি হতে পারে? সবকিছুকে আগের সময়ের সঙ্গে তুলনা করা? নাকি বিয়ের আগের জীবন ভালো ছিল এমনটা ভাবা? তেমন কিছু কষ্টের কারণ জেনে নিন-
বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন : বিয়ের পর ধীরে ধীরে বন্ধুদের সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। হয়ত যোগাযোগ না থাকার কারণে বন্ধুর তালিকা থেকে এক সময় তারা আপনাকে ডিলিটও করে দিতে পারে। তাদের বিচ্ছেদ আপনার মন খারাপ করবে— এটাই স্বাভাবিক। আর এর কারণ যদি বিবাহিত জীবন হয়, তখন নিঃসন্দেহে আপনার মধ্যে অপরাধবোধের জন্ম নিবে।
নিজেকে হারিয়ে ফেলা : বিয়ে মানেই নতুন কিছু পরিবর্তন ও সমঝোতা। কিন্তু এটা যদি সব সময় একপক্ষকেই করতে হয় তাহলে নিঃসন্দেহে মনোমলিন্য ঘটবে। তাই অন্য পক্ষকেও ছাড় দেওয়া ও মানিয়ে চলার অভ্যাস করতে হবে।

ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ : ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করলে যে কারোই মাথা গরম হয়। অথচ বিয়ের পরই এ অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয় বেশীরভাগ মেয়েদেরই। সবকিছু নিজের মতামতের ওপর চলে না। বিশেষ করে বড় কোনো সিদ্ধান্ত; যেমন- দেশের বাইরে যাওয়া কিংবা দামি কোনো জিনিস কেনা। আর যৌথ পরিবার হলে তো উঠতে বসতে বাসার সবার অনুমতি নিয়েই চলতে হয়।
জীবনটাকে আরও উপভোগ : বিয়ের পর মেয়েদের জীবনের সকল ক্ষেত্রেই পরিবর্তন আসে। যে কোনো বিষয়ে সবার আগে পরিবারের কথা চিন্তা করতে হয়। এমনকি জীবনটাকে একটু নিজের মতো করে উপভোগ করার পরিকল্পনা করলেও দায়িত্ব-কর্তব্যের ভারে তা হয়ে ওঠে না।
সাবেক প্রেমিককে দ্বিতীয় সুযোগ : বিবাহিত জীবনের ঝুট-ঝামেলা আপনাকে পুরনো প্রেম মনে করিয়ে দেবে। খুব স্বাভাবিকভাবেই আপনি পুরাতন প্রেমিকের সঙ্গে স্বামীর তুলনা করবেন এবং মনে মনে ভাববেন তাকে আর একটা চান্স দিলেই হয়তো ভাল হতো। কিন্তু এমন ভাবনাকে কখনোই প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না, মনে রাখবেন এটা আপনার দাম্পত্য সুখ চিরতরে নষ্ট করে দিতে পারে।
তাড়াতাড়ি মা হওয়া : আমাদের দেশে সন্তান নেওয়াটাও বেশীরভাগ ক্ষেত্রে পরিবারের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। বিবাহিত দম্পতি নতুন অতিথির আগমন ঘটাবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু অন্যের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে নয়। বরং নিজেদের সুবিধাজনক সময়ে সন্তান নেওয়া উচিত। হতে পারে বিয়ের পর আপনি আগে নিজের ক্যারিয়ার গোছানোর পরিকল্পনা করে রেখেছেন কিংবা সঙ্গীর সঙ্গে দেশ-বিদেশ ঘুরে আসার স্বপ্ন দেখছেন। এ সময় সন্তান নিলে এ সব চিন্তাকে বিদায় জানাতে হবে।
যাই হোক, বিয়ের পর আপনার মনে জাগা এ সব অভিযোগ ক্ষণিকের। কিন্তু আপনার প্রতি সঙ্গীর ভালবাসা ক্ষণিকের নয়। তার ভালবাসাই সব অভিযোগ ভুলে যেতে সাহায্য করবে। তাই এ সব অভিযোগ ঝেড়ে ফেলুন। এগিয়ে যান সামনের দিকে। সেই দিনগুলো হবে শুধুই আপনাদের। এতে আপনিও ভালো থাকবেন অন্যরাও।

রুটি ও দুধ খেয়ে ১৫ বছর !

কথায় আছে মাছে-ভাতে বাঙ্গালী। কিন্তু বাঙ্গালী হয়েও জন্মের পর থেকে ১৫ বছরেও ভাত স্পর্শ করেনি রাঙ্গুনিয়ার পোমরা ইউনিয়নের হাজীপাড়া গ্রামের শফিউল আলমের পুত্র মোহাম্মদ মোস্তফা। সে এখন পোমরা উচ্চবিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ছে। পাড়া-প্রতিবেশীদের কৌতূহলের অন্ত নেই তার এই ভাত না খাওয়ার বিষয়টি নিয়ে ।

তার অভিভাবকরা জানিয়েছেন, রুটি আর গরুর দুধ ছাড়া আর কোনো খাবার সে স্পর্শ করে না। ভাতকে সে কোনোভাবেই খাবার হিসেবে মেনে নিতে পারছে না। পরিবার তার এই খাদ্যাভ্যাসকে স্বাভাবিক বলে মনে করছে না।
মোস্তফার মা জানান, তার ছেলের বয়স যখন এক বছর তখন থেকে ডাক্তারের পরামর্শে বুকের দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবার হিসেবে ভাত দেওয়া হলেই সে তা বমি করে ফেলে দিত। আর এভাবেই তাকে যতবারই ভাত কিংবা অন্য খাবার দেওয়া হয়েছে, ততবারই সে বমি করে ফেলে দিয়েছে।
এতে তার পরিবার ভয় পেয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে অভয় দিয়ে বলেন, তার খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি, তবে ভাত খাওয়ার ব্যাপারে তার আগ্রহ না থাকার কারণে এমনটা হচ্ছে।
আর এ অবস্থায় মোস্তফাকে তার মা ও পরিবার-পরিজন রুটি আর দুধ ছাড়া আর কোনো কিছু খাওয়াতে পারেনি। বরং এই ব্যাপারে যতবার চেষ্টা করা হয়েছে ততবারই বিফল হয়েছে বলে জানান তার পরিবারের সদস্যরা।
মোস্তফাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে সে জানায়, তার ভাত খেতে ভালো লাগে না। এতে তার একধরনের দুর্গন্ধ লাগে, যা সে সহ্য করতে পারে না। একই কারণে সে অন্য কোনো কিছুও খেতে পারে না।
মোস্তফা জানায়, প্রতিদিন সকালে সে সাত-আটটা রুটি ও দুধ, দুপুর বেলায় পাউরুটি-দুধ, বিকেলেও রুটি আবার রাতেও রুটি ও দুধ খেয়ে জীবনযাপন করে।


যে দেশে পরকীয়া আর অপরাধ নয় !

পরকীয়া প্রেমকে আর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা যাবেনা বলে রায় দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষ আদালত। ১৯৫৩ সালের আইন অনুযায়ী, দেশটিতে পরকীয়া সম্পর্কে জড়ালে স্বামী বা স্ত্রীর আড়াই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের শাস্তি ছিল।

গতকাল বৃহস্পতিবার আদালত এ রায় দিয়েছেন।
এশিয়ার যে মাত্র তিনটি দেশে পরকীয়া প্রেম অবৈধ ছিল, দক্ষিণ কোরিয়া তার একটি। ২০০৮ সাল থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় সাড়ে পাঁচ হাজার লোককে আদালত এ অপরাধে অভিযুক্ত করেছেন।
সর্বোচ্চ আদালতের (সাংবিধানিক আদালত) নয় বিচারকের প্যানেলের সাতজন বলেন, ৫৩ সালের আইনটি অসাংবিধানিক। প্যানেলের প্রধান বলেন, ব্যক্তির যৌনতাবিষয়ক অধিকার সম্পর্কে লোকের ধারণা বদলে গেছে। নৈতিকভাবে পরকীয়ার নিন্দা করা উচিত। তবে নাগরিকের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করা রাষ্ট্রের উচিত নয়।
দক্ষিণ কোরিয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শত শত লোককে অভিযুক্ত করা হলেও খুব কম জনকেই কারাগারে যেতে হয়েছে। সিউলের সোগাং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক লিম জি বং বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে পরকীয়ার জন্য কারও সাজা হওয়ার ঘটনা খুবই বিরল। তিনি জানান, প্রায়ই অভিযোগ শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে যায় বলে অভিযুক্ত হওয়ার সংখ্যা কমেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বোচ্চ আদালত এর আগে আইনটি চারবার পর্যালোচনা করে তা বহাল রাখেন।

আমি আর আসবো না বলে

ইদানিং মাঝে মাঝেই আমার মনে হয়, এই সুন্দর পৃথিবীটা ছেড়ে, আমার প্রিয় চিরচেনা মুখগুলো ছেড়ে হয়ত কোন একদিন চলে যেতে হবে অজানার পানে। হয়ত চলে যেতে হবে অনন্তের পথে… আর ফিরে যাওয়া হবে না পুরোনো প্রিয় বন্ধুদের আড্ডায়, মায়ের আঁচলে মুখ মোছা হবেনা, আপুর সাথে অভিমান করে কষ্ট পাওয়া যাবেনা… মনে হলে বুকের কোণে একটা ব্যথা অনুভূত হয়… এই কবিতায় আমার এই অনুভূতিটার একটা প্রতিকৃতি খুঁজে পেয়েছি….

র আসবো না বলে দুধের ওপরে ভাসা সর
চামোচে নিংড়ে নিয়ে চেয়ে আছি। বাইরে বৃষ্টির ধোঁয়া
যেন সাদা স্বপ্নের চাদর
বিছিয়েছে পৃথিবীতে।

কেন এতো বুক দোলে? আমি আর আসবো না বলে?
যদিও কাঁপছে হাত তবু ঠিক অভ্যেসের বশে
লিখছি অসংখ্য নাম চেনাজানা
সমস্ত কিছুর।
প্রতিটি নামের শেষে, আসবো না।
পাখি, আমি আসবো না।
নদী আমি আসবো না।
নারী, আর আসবো না, বোন।
আর আসবো না বলে মিছিলের প্রথম পতাকা
তুলে নিই হাতে।
আর আসবো না বলে
সংগঠিত করে তুলি মানুষের ভিতরে মানুষ।
কথার ভেতরে কথা গেঁথে দেওয়া, কেন?
আসবো না বলেই।
বুকের মধ্যে বুক ধরে রাখা, কেন?
আর আসবো না বলেই।
আজ অতৃপ্তির পাশে বিদায়ের বিষণ্ণ রুমালে
কে তুলে অক্ষর কালো, ‘আসবো না’
সুখ, আমি আসবো না।
দুঃখ, আমি আসবো না।
প্রেম, হে কাম, হে কবিতা আমার
তোমরা কি মাইল পোস্ট না ফেরার পথের ওপর?
———————————–
(সংকলিত কবিতা)
কবিঃ আল মাহমুদ
কাব্যগ্রন্থঃ সোনালি কাবিন